রাত ১০:৪১ - ১লা অক্টোবর, ২০২০ ইং

মহেশখালীর প্রাচীন দর্শনীয় স্থান জমিদার বাড়ি বিলুপ্তির পথে

মহেশখালীর প্রাচীন দর্শনীয় স্থান জমিদার বাড়ি বিলুপ্তির পথে

সৌরভ খানঃ

মহেশখালী দ্বীপের অধিপতি ছিলেন প্রসন্ন কুমার রায় বাহাদুর। ১৭৮২ সালের ২০ নভেম্বর রবার্ট ওয়্যারলেজ চট্টগ্রামের কালেক্টর চার্লস ক্রফটেস’র কাছে ২০,০০০ টাকার বিনিময়ে মহেশখালী বিক্রি করেন। চার্লস স্থানীয় দেওয়ান কালীচরণ কানুনগোর নিকট ৪০,০০০ টাকার বিনিময়ে দ্বীপটি বিক্রি করেন। কালিচরণ ছিলেন নিঃসন্তান। তিনি চী চরণকে দত্তক পুত্র হিসেবে গ্রহণ করেন।তিনি মারা গেলে তার পুত্র শরৎচন্দ্র মহেশখালীর জমিদারি লাভ করেন। তৎকালীন বৃটিশ সরকার প্রসন্ন কুমার রায় বাহাদুরদের মহেশখালীর কর্তৃত্ব দিয়েছিলেন। প্রসন্ন রায়, ক্ষিরোদ রায় এবং ১৯৫০ সালে জমিদারি প্রথা বিলোপ সাধনের আগ পর্যন্ত অজিত কুমার রায় জমিদারি পরিচালনা করেন। তাদের জমিদারি টিকে ছিল ১৯৫৩ সাল পর্যন্ত। পাকিস্তান সরকার জমিদারি প্রথা উচ্ছেদ করলে মহেশখালী দ্বীপে প্রসন্ন বাবুদের জমিদারির অবসান ঘটে। তাদের ২০০ বছরের একটি বাড়ি সেখানে এখনও কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। ১০ একরের এই বাড়িটিতে এখন ভূমি অফিসের কয়েকজন কর্মচারী বসবাস করছে। মহেশখালীতে জমিদার প্রসন্ন বাবু ও অজিত বাবুর হাতে গড়ামন্দিরসহ বেশ কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এখনো বিদ্যমান। কিন্তু কালের বিবর্তনে এটি এখন বিলুপ্তির পথে।