সকাল ৭:০৯ - ১৮ই অক্টোবর, ২০২১ ইং

এবার নুরের কোটায় যোগ দিচ্ছেন সাবেক গণফোরাম মহাসচিব রেজা কিবরিয়া

এবার নুরের কোটায় যোগ দিচ্ছেন সাবেক গণফোরাম মহাসচিব রেজা কিবরিয়া

 

চট্টলা ডেস্ক 

ড.কামাল হোসেনের গণফোরামের মহাসচিব পদ ছেড়ে আসা অর্থনীতিবিদ ড. রেজা কিবরিয়া ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হকের গঠিত নতুন রাজনৈতিক দলে যোগ দিচ্ছেন।

দলীয় প্রধান বা উপদেষ্টা— নতুন দলে কোন পদে যোগ দিচ্ছেন তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি। তবে সাংগঠনিকভাবে সক্রিয় হতে শুরু করেছেন রেজা কিবরিয়া। চূড়ান্ত করা হয়েছে কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির খসড়াও।

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) ছেড়ে ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে রেজা কিবরিয়া গণফোরামে যোগ দেন। চলতি বছরের ৭ ফেব্রুয়ারি দলটির সভাপতি ড. কামাল হোসেনের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন। এরপর জামায়াত ছেড়ে আসাদের সমন্বয়ে গঠিত এবি পার্টির (আমার বাংলাদেশ পার্টি) কিছু অনুষ্ঠানে যোগ দিতে দেখা যায় তাকে। চলতি অর্থবছরের বাজেট নিয়ে দলটির আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যও পাঠ করেন তিনি।পরে নুরুল হকদের বিভিন্ন প্রোগ্রামে সক্রিয় হন এই অর্থনীতিবিদ।

গতকাল শুক্রবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের আংশিক কমিটি বর্ধিত করার লক্ষ্যে বিভিন্ন ইউনিটের নেতাদের সাক্ষাৎকার গ্রহণেও অংশ নেন রেজা কিবরিয়া।

জানতে চাইলে রেজা কিবরিয়া বলেন,‘আমি তাদের সঙ্গে অনেকদিন ধরেই আছি। তাদের চিন্তা পজিটিভ। দল ছোট হলেও জনসমর্থনে বড়। নতুন দলে আমি কী হিসেবে থাকবো, সেটা চূড়ান্ত হয়নি।’

এ প্রসঙ্গে নুরুল হক বলেন,‘আমরা এখনও কনক্রিট সিদ্ধান্তে আসতে পারিনি। কে সভাপতি বা দলীয় প্রধান হবেন ঠিক হয়নি। রেজা কিবরিয়া সাহেব কাজ করছেন। প্যারালালি আরও অনেকের নাম আছে। ঘরোয়াভাবে মিটিং করছি। নিজেদের মধ্যে দূরত্ব কমানোর চেষ্টা করছি।’

বিভিন্ন দায়িত্বশীলদের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, সম্ভাব্য নতুন দলে মুক্তিযোদ্ধা নঈম জাহাঙ্গীর, রফিকুল ইসলাম বাবলু, হাসনাত কাইয়ূমকেও দেখা যেতে পারে।নুরুল হক আরও জানান, ‘দলের সম্ভাব্য নাম বাংলাদেশ অধিকার পার্টি (বিআরপি)। স্লোগান হিসেবে থাকছে- জনতার অধিকার, আমাদের অঙ্গীকার।’

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সম্ভাব্য নতুন দলের মুখ্য নেতা নুরুল হক নুর। প্রাথমিক আহ্বায়ক কমিটি হবে ১০১ বা ১৫১ সদস্য বিশিষ্ট। পাশাপাশি ১৫-২০ সদস্যের নীতিনির্ধারণী ফোরামও থাকবে।

নুরুল হক জানালেন, ‘দল গঠনের প্রাথমিক লক্ষ্য দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। নির্বাচনের জন্য নিবন্ধন থাকতে হবে। দল প্রতিষ্ঠার পর আবেদন করবো। ইতোমধ্যে নিবন্ধনের শর্ত আমরা পূরণ করেছি। আরও কাজ চলছে।’নির্বাচন প্রসঙ্গে আরও বললেন, ‘সুষ্ঠু নির্বাচন হলে আমরা ৩০০ আসনেই প্রার্থী দেবো। আন্দোলনের প্রেক্ষাপট তৈরি হলে আন্দোলন করবো। তবে সরকার ইতোমধ্যে নির্বাচনের বিষয়ে যা বলছে, তাতে মনে হচ্ছে তারা সেফ-এক্সিটের জন্য মধ্যবর্তী নির্বাচনে আগ্রহ দেখাচ্ছে।

’তবে রেজা কিবরিয়া বলেন, ‘সুষ্ঠু ভোটের নিশ্চয়তা ছাড়া নির্বাচনে অংশ নেওয়া যাবে না। নির্বাচনে গেলে পরিস্থিতি আগের মতোই হবে। আসল নির্বাচন হবে না।’