রাত ২:২৪ - ১৭ই অক্টোবর, ২০১৯ ইং

সাদেত পার্টি ও তুরস্কে ইসলামী আন্দোলন

print

এক ভাই জানতে চাইলেন, ৩১ মার্চ অনুষ্ঠিত তুর্কির স্থানীয় নির্বাচন নিয়ে আপনি কিছু লিখেন না কেন? তুরস্কে অবস্থানরত কিছু ভাইদের লিখা থেকে অনেক কিছু জানতে পারলাম, তবে তার সবটাই যদি সত্যি হয়ে থাকে, তাহলে তো সাংঘাতিক কথা!

আমি বললাম, কি লিখেছেন ভাইয়েরা, যা আপনার কাছে সাংঘাতিক লেগেছে জনাব? তাছাড়া এই কয়দিনে মনে হয় সবাই প্রত্যাশিত নিউজ পেয়েছেন, আবার নতুন করে কিছু লিখতে গেলে কারো কাছে পছন্দ না হলে, পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে, নিজের দেশের খবর নাই – পরের খবর নিয়ে লাফালাফির কি আছে ? এ জাতীয় কিছু কথাবার্তা শুনতে হয় তাই চুপ থাকার মাঝেই কল্যাণ মনে করে লিখি নাই এবার।

 

তিনি বললেন, মুসলিম উম্মাহর একমাত্র কন্ঠস্বর, সুলতান এরদোয়ানকে পরাজিত করার জন্য তুরস্কের ইসলামী দল খ্যাত সাদেত পার্টি নাকি এবার ও বামপন্থী সিএইচপি, কুর্দিদের সংগঠন এইচডিপি এমনকি পিকেকে সন্ত্রাসীদের সাথে ও আঁতাত করেছে? হায় আল্লাহ, এতবড় কথা! খবর নেয়া দরকার! খবর সত্যি হয়ে থাকলে তো সাংঘাতিক কথা! তাই খবর নিতে কয়েক জায়গায় ঘুরলাম। সাদেত চেয়ারম্যানের বক্তব্য গুলো you tube থেকে দেখলাম। সাদেত পার্টির পরিচিত জনদের কাছে জানতে চাইলাম, ভাগ্যক্রমে সাদেত পার্টির নির্বাচনী কার্যক্রম বিষয়ক সভাপতি, সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সভাপতি, বিদেশ বিষয়ক সভাপতি সহ কয়েকজন উচুমানের সাদেতিকে পেয়ে গেলাম একজায়গায়।

তারা চা খাচ্ছিলেন, সাথে নির্বাচনী সাতপাঁচ । আমাকে দেখে আল্লামা মাওদুদী, গোলাম আজম, মতিউর রহমান নিজামী সাহেবদের ছাত্র, তাদের উত্তরসূরিদের একজন বলে খাতির দেখালেন। সুযোগ বুঝে ঐ ভাইয়ের করা প্রশ্ন গুলো জিজ্ঞেস করলাম

। বললেন , না, আসলে সেরকম কোন পাপ এই যাত্রায় সাদেত পার্টি করেনি। কারন হিসেবে তারা বললেন: এটি স্থানীয় নির্বাচন, আমরা মনে করেছি, এবারের নির্বাচনে নিজেরা প্রার্থী দিয়ে সংগঠনের মজবুতী বাড়ানো দরকার, এলাকা এলাকায় দাওয়াতী কাজ বৃদ্ধি করা দরকার। তা ছাড়া জাতীয় নির্বাচনে সিএইচপির সাথে বাধ্য হয়ে জোট করেছিলাম। যা মাঠ পর্যায়ে কেউ কেউ ভাল চোখে দেখেনি। বিগত জাতীয় নির্বাচনের ক্ষেত্রে জনাব এরদোয়ান যেহেতু আমাদের পার্টি বন্ধ করে তাদের সাথে জোটে যেতে বলেছিলেন, আমাদের দাবী দাওয়াগুলোকে গুরুত্ব দিচ্ছিলেন না, এমতাবস্থায় নিজেদের দল বন্ধ ঘোষনা করে (রাজনৈতিক আত্মহত্যা করে) সরকারের সাথে একাকার হয়ে যাওয়াও সম্ভব হয়নি।

এরবাকান হোজা (স্যার) থেকে আলাদা হয়ে ওরা একেপি গঠন করার পর থেকে আমরা সংসদে যাওয়ার সুযোগ পাইনি। সংসদে যেতে পারলে আমরা আমাদের কথা জাতির সামনে বলতে পারতাম। সরকারের আগ্রাসী মনোভাব, ইসলামী আন্দোলনের ব্যাপারে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক মিডিয়ার অপপ্রচার ইত্যাদি কারনে আমরা না ভোট বাড়াতে পেরেছি, না সংসদে প্রতিনিধিত্ব করে নিজেদের কথা গুলো বলতে পেরেছি, না সরকার আমাদের কোন কথায় কান দিচ্ছে। আমাদের প্রতিষ্ঠিত সকল মিডিয়া, প্রতিষ্ঠান এখন সরকারের হাতে। ওরা এখন আমাদের গান গায়না, সরকারের গান গায়।

তুর্কি নির্বাচনে ১০% ব্যারাজ সিস্টেমের বাধা পার হওয়ার জন্য আমাদের জোট করতে হয়েছিল বিগত নির্বাচনে। আমাদের ভোট ১/২% হলেও আমরা ওদের সাথে জোট করার কারণে ১০% বাঁধার সম্মুখীন না হয়ে জোটের ৩৫/৪৫% যা আছে তার সাথে আমাদের ১/২%ও যোগ হয়। আমরা তাদের সাথে জোট করায় সংসদে ২জন নিয়ে হলেও প্রতিনিধিত্ব করতে পারছি এখন ।‌ একক ভাবে হলে কমপক্ষে ২০ জন নির্বাচিত হওয়া জরুরি ছিল জন্য। আমরা একক ভাবে এখন এতগুলো আসন পাইনা। জোটের কারনে ২ জন মাত্র নির্বাচিত হয়ে ও আমাদের কথা গুলো জাতিকে শুনাতে পারছি। ফলে আমাদের ভোট এখন বাড়তে শুরু করেছে।

আর বিগত ৩১ মার্চের নির্বাচনটা স্থানীয় নির্বাচন। এখানে জোট করলে সরকারি দলগুলোর চাপিয়ে দেয়া হিংসাত্মক ঘটনা বেড়ে যাওয়ার আশংকা থাকে। ইতোমধ্যে মালাতিয়া শহরে সরকার দলীয়রা আমাদের দুজন নির্বাচনী এজেন্টকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করেছে। এরকম আরো ঘটনার আশংকায় এবারে কারো সাথে না গিয়ে নিজেরা একক ভাবে কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

 

সকল সিটি কর্পোরেশন, জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন, গ্রাম, মহল্লায় আমরা প্রার্থী দিয়েছি। জানতে চাইলাম, কুর্দিদের দল এইচডিপি নাকি আদিয়ামান, শানলিওরফা সহ ২/৩ জায়গায় আপনাদেরকে সমর্থন দিয়েছে ? আর শানলিওরফায় (এলাকা) একজন এইচডিপির সাবেক নেতাকে আপনারা নাকি সিটি কর্পোরেশনের প্রার্থী মনোনয়ন দিয়েছেন ? বিগত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আপনারা ইজমির থেকে একজন বেপর্দা নারীকে প্রার্থী করেছিলেন বলে মিডিয়াতে বেশ প্রচার হতে দেখেছি? বিষয়গুলো যদি‌ পরিষ্কার করতেন।

ওরা বললেন: আমরা শুধু এইচডিপি কেন, তুরস্কের ৮১ মিলিয়ন নাগরিকের সকলের ভোট প্রত্যাশা করি । যে রকম একেপি সহ অন্য দল গুলো প্রত্যাশা করে এবং অনেক ভোট পায় । আমরা জোট না করলেও স্থানীয় ভাবে কোন দল নিজেদের প্রার্থী না থাকায় আমাদের সমর্থন দিলে আমরা কি বলব যে তোমাদের ভোট আমাদের দরকার নেই? কোথাও কোথাও বিরোধী দল আমাদের স্থানীয় ভাবে সমর্থন দিয়েছে। তবে এটি জোটের কারনে নয়, স্থানীয় ভাবে নিজেদের প্রার্থী না থাকায় শুধু তিনটি জায়গায় আমাদের সমর্থন করেছে তারা। এটাকে সরকার ও সিন্ডিকেটেড মিডিয়া এমন ভাবে প্রচার করছেন, যেন আমরা সমগ্র তুর্কিতে আমরা ওদের (কুর্দিদের) সমর্থন পাচ্ছি। ওদের সাথে আঁতাত করছি। এটি মিথ্যা শুধু নয়। অপবাদও বটে। অথচ তুর্কির পূর্বাঞ্চলে কুর্দিদের এলাকায় একেপি-ই বেশী ভোট পেয়েছে। নির্বাচনের এই ফলাফল দেখে আমরা কি বলেছি, একেপি কুর্দিদের সাথে আঁতাত করেছে, তাই বেশী ভোট পেয়েছে ? তাদের কথা অনুযায়ী আমরা আঁতাত করে থাকলে আমাদেরই তো বেশী ভোট পাওয়ার কথা ছিল।

 

জাতীয় নির্বাচনে স্থানীয়দের পরামর্শে হোক বা চাপে হোক আমরা ইজমিরে একজন নারী প্রার্থী দিয়েছিলাম ( জেতেনি), যা সরকারী মিডিয়া এমন ভাবে প্রচার করে যেন আমরা কোন ইহুদী মহিলাকে প্রার্থী করেছি! অথচ সরকারী দলের প্রাথীদের মাঝে এমপি, মন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত, অনির্বাচিত ৫০-১০০ জন নারী পাবে যারা পর্দা করেনা। খুবই স্বল্প পোশাক পরিধান করে। নিজেদের একশতজন বেপর্দা নারীকে দেখেনা, আমাদের একজনের জন্য মিডিয়া তোলপাড় করছে আমাদের ভাইয়েরা।

 

হ্যাঁ, নারী প্রার্থী দেওয়ার কারনে আমাদের বেলায় গুনাহ হলে ওদের বেলায়ও গুনাহ হওয়া উচিত। আর শানলিওরফায় (এলাকা) আমাদের প্রার্থী সাবাহাদ্দিন জওহারিকে পিকেকে/ এইচডিপি বলেছেন সরকারি দলগুলো ? তিনি এইচডিপির সাবেক হতে পারেন, কিন্তু তিনি এরপর তিনি একেপিতে যোগ দিয়ে ২২তম সংসদে একেপির সংসদ সদস্য ও নির্বাচিত হয়েছিলেন। সেকথা তো বলছেন না তারা।এইচডিপি আমাদের সাথে আসলে পাপ আর ওদের এমপি, কেন্দ্রীয় সহ্ সভাপতি হলে পাপ হয় না?

 

(তখন বাংলাদেশের রাজনীতি মনে পড়লো আমার, যেখানে আওয়ামী লীগের মেশিনে ঢুকলে রাজাকার ও মুক্তিযোদ্ধা হয়ে বের হয়, আর বিপক্ষে গেলে মুক্তিযোদ্ধা ও স্বাধীনতা বিরোধী হয়ে যায়।) তাছাড়া সরকারী দল একেপি অনেক জায়গায় সাবেক স্বঘোষিত পিকেকে সন্ত্রাসী ও তাদের রাজনৈতিক দল এইচডিপির সাবেক নেতাদের সংসদ সদস্য বানিয়েছে। এবারে সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের প্রার্থী করেছে ও নির্বাচিত করেছে ।

 

আমরা একজন এইচডিপির সাবেক নেতাকে প্রার্থী করলে যদি অপরাধ হয়, তাহলে সরকারী দল তাদের অনেককে এমপি, মন্ত্রী পর্যন্ত বানাচ্ছে, তা অপরাধ হয়না? আমি বললাম, এমন কোন প্রমান কি আপনারা দিতে পারবেন যে, একেপি (সরকারী দল ) এইচডিপির (কুর্দিদের দল) সাবেক নেতা বা তাদের সন্ত্রাসী কাউকে নমিনেশন দিয়েছে ?

একটি কাগজ এগিয়ে দিয়ে একজন বললেন, লিখ তাহলে কয়েক জনের নাম। ১। মেহমেত মেতিনের, একেপির ২ বারের সংসদ সদস্য। ২০০০-২০০১ সালে এইচডিপির (কুর্দিদের দল) সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন । তিনি একেপির বর্তমান সহ-সভাপতিদের একজন।

২। হামজা শায়ির, কোজায়েলি- দিলোভা থেকে একেপির প্রার্থী। তিনি এইচডিপির কোজায়েলী শাখার প্রতিষ্ঠাতাদের একজন।

৩। সোলেমান ছইলো , বর্তমান স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী । সাবেক ডেমোক্রেট পার্টির সভাপতি, ফেতুল্লা গুলেনের বৈঠকাদিতে নিয়মিত অংশ গ্রহণকারী, এইচডিপির সংসদে প্রতিনিধিত্বের জন্য ১০% ব্যারেজ সিস্টেম উঠিয়ে দেয়ার জোর দাবীদার, জনাব এরদোয়ানকে চোর সম্বোধন করে এরদোয়ানের কাছ থেকে চুরির হিসাব গ্রহণ না করত না পারলে নিজেকে নাপুংসুক সম্বোধন কারী, তিনি এখন রং বদলিয়ে এরদোয়ান সাহেবের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী।

 

৪। মোজাফফর আরসলান, একেপির বাতমান- সাসন সিটি কর্পোরেশনের প্রার্থী, তার দুই ভাই পিকেকে সন্ত্রাসী, সেনাবাহিনির গুলিতে নিহত হয়। তাঁর বড় ভাই ও ভাতিজা এখনো পিকেকের হয়ে পাহাড়ে লড়াই করে। নিজে এইচডিপির সাসন এলাকার সমন্বয়ক।

৫। থেওমান জায়দিন , হাক্কারি – ইউকসেকওভা থেকে একেপির প্রার্থী। কিছু দিন আগেও এইচডিপির সক্রিয় দায়িত্ব পালন করেন তিনি। এরকম আরো অনেকের নাম বলা যাবে, যারা সন্ত্রাসী সংগঠন পিকেকের সাথে এবং এইচডিপির সাথে সরাসরি যুক্ত ছিল। খোঁজ খবর নাও, এগুলোর সত্য মিথ্যা যাচাই করে দেখ।

আসল সমস্যা হল, আমরা নির্বাচনে ২/৩ পারসেন্ট ভোট পাই। বিগত নির্বাচন থেকে আমাদের অল্প অল্প করে ভোট বাড়তে শুরু করেছে। আমাদের ২/৩ পারসেন্ট ভোটই ক্ষমতার হাত বদলের কারন হচ্ছে। তাতে বিচলিত হয়ে জনাব এরদোয়ান নিজেই এবং ওনার দল আমাদের বিরুদ্ধে এসব মিথ্যাচার করছেন। যেন আমরা বাম সিএইচপি ও কুর্দিদের দল এইচডিপির সাথে আঁতাত করেছি বলে জাতিকে বিভ্রান্ত করে আমাদের থামিয়ে রাখা যায়।

আমরা কাউকে শত্রু মনে করিনা, কোন ব্যক্তি বিশেষের বিরুদ্ধে আমাদের বক্তব্য নয়। আমাদের বক্তব্য ইহুদিবাদ ও খৃষ্টবাদের প্রতিষ্ঠিত শাসন ব্যবস্থার বিরুদ্ধে। ওরা আমাদের ভাই ছিল, ভাই হিসেবেই থাকবেন। আজকে ক্ষমতায় থাকার কারণে হয়ত তাদের অতীতকে ভুলে গেছেন, কালকে ক্ষমতা চলে গেলে আবার আমাদের সাথেই কাজ করবেন। সাদেত পার্টিই হবে তাদের আশ্রয় স্থল।

ইতোমধ্যে বুলেন্ত আরিন্চ, আব্দুল লতিফ সেনের, মেহমেত বেকির ওগলো সহ একেপি গঠনে প্রধান ভুমিকা পালন কারী বাঘা বাঘা নেতারা যারা একেপি থেকে পরবর্তীতে বিতাড়িত হয়েছেন, তারাও আমাদের সাথে আসেন। বসেন, নিজেদের ভুলের কথা স্বীকার করেন। আফসোস করেন। আরো অনেকে আসতে চাইলেও সরকারের ভয়ে আপাতত আসতে পারছেনা। ওরা‌ হয়ত শেষ দিন গুলোতে একসাথে আসবেন। আবার আমরা এরবাকান হোজার পথ ধরে তুর্কি ও সমগ্র মুসলিম উম্মাহকে ঐক্যবদ্ধ করে কাজ করব ইনশাল্লাহ।দুর্দশা গ্রস্থ এ মুসলিম উম্মাহর মুক্তির জন্য আমাদের ইসলামী আন্দোলন গুলোই একমাত্র আশা ভরসার জায়গা। তাই যে কোন মুল্যে যে কয়টি ইসলাম আন্দোলন সক্রিয় আছে, সে গুলোর পারষ্পরিক সহযোগিতা বাড়ানো দরকার বলে মত প্রকাশ করলেন তারা।

তুর্কিরা হয়ত ঠান্ডা আবহাওয়ার কারনে প্রচুর চা পানে অভ্যস্ত। কেউ কেউ দিনে ২০-৩০ টা পর্যন্ত পান করে। অবশ্য মোটা হওয়ার ভয়ে ওরা চিনি ছাড়াই বা খুব কম চিনি ব্যবহার করে চা পান করে। কথা শুনতে শুনতে আমার ও কয়েক কাপ চা পান করা শেষ। বললাম , আমাদের বাংলাদেশী কালচারে চা পান করা শেষ হলে মেহমানের চলে যাওয়ার সময় হয়েছে, বা চলে যাওয়া উচিত, সেটা মেহমান মেজবান উভয়েই বুঝে নেয়। তাই আমাদের দেশীয় কালচার অনুযায়ী বিদায় নিতে চাই আজকের মত। জয়- পরাজয় যাই হোক তুর্কিতে একটি শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় থাকুক সেই দোয়াই করলেন নেতারা। আমিও বললাম, আমিন।

 

মিজানুর রহমান

পিএইসডি গবেষক ,

আঙ্কারা ইউনিভার্সিটি, তুরস্ক

print