দুপুর ১:৫৫ - ২২শে নভেম্বর, ২০১৯ ইং

এখনও মহেশখালী দাপিয়ে বেড়াচ্ছে যুবলীগ নেতা তারেক শরীফ

print

বিশেষ প্রতিনিধিঃ

সারাদেশে ক্যাসিনো, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যখন জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করছেন ঠিক তখনই মহেশখালীর শীর্ষ সন্ত্রাসী, সন্ত্রাসের গডফাদার ও ভূমিদস্যু তারেক শরীফ পুলিশ প্রশাসনকে নিয়মিত মোটা অঙ্কের টাকা দিয়ে এখনও রাজ কায়েম করে চলেছে। হাফ ডজন মামলার আসামী হয়েও প্রতিনিয়তই প্রশাসনের নাকের ডগায় ঘুরছে এই তারেক শরীফ। প্রশাসন যেন দেখেও দেখে না।

মাদক ব্যবসা, জুয়ার আসর, ভুমি দখল, টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি, টাকার বিনিময়ে খুন কি না করছে এ তারেক। দীর্ঘ ১১ বছর তার শাসনে নিজ বসত বাড়িতে যেতে পারছেনা মহেশখালীর ৮০টি পরিবারের প্রায় ২০০জন সদস্য। বাড়ি ফেরার দাবিতে কক্সাবাজার জেলা প্রশাসক, পুলিশ প্রশাসনসহ মহেশখালী উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনকে কয়েক দফা স্মারকলিপি প্রদান করলেও কোন কাজে আসেনি বলে অভিযোগ মহেশখালী উপজেলার কালার মার ছড়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি অলী আহমদের।

এছড়াও অভিযোগ রয়েছে তারেকের ভাই নোমান কক্সবাজারে আইনজীবী পেশায় নিয়োজিত। তাই প্রশাসনের সাথে তার সুসম্পর্ক থাকায় তারেক শরিফকে গ্রেফতার করছেনা পুলিশ।

এছাড়াও এ তারেক শরীফ যুবলীগে একজন চিহ্নিত অনুপ্রবেশকারী। সে চট্টগ্রাম পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে পড়ার সময় ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিল। কিন্তু সময়ের ব্যবধানে রাজনীতির বোল পাল্টিয়ে এখন হয়ে গেছে যুবলীগ নেতা।

সর্বশেষ ১৩ অক্টোবর কালার মার ছড়া ইউনিয়নের বাজার সংলগ্ন এলকায় চেয়ারম্যান তারেক বাহিনীর সাথে স্থানীয়দের সংঘর্ষ বাধে। এতে তারেক বাহিনীর ছোঁড়া গুলিতে মিজান নামে এক যুবক আহত হয়। পরে আহত অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।

print